বিএনপি নির্বাচনে না আসলে কিছুই যায় আসে না, দেশের জনগণ তাদের বিশ্বাস করে না: এরশাদ
রংপুরে এইচ এম এরশাদপ্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনে আসলে বা না আসলে আমাদের কিছুই যায় আসে না। দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব এখন তারেক রহমান
পালন করছে, ফলে তাদের সিদ্ধান্ত তারাই নেবে। তবে তারা যতই ঐক্য করুক কোনও লাভ হবে না। কারণ দেশের জনগণ তাদের বিশ্বাস করে না।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা থেকে রংপুরে এসে সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচনকালীন অন্তবর্তী সরকারে তিনি মন্ত্রী হিসেবে থাকবেন বলেও মন্তব্য করেন।
এরশাদ বলেন, ‘আমার মন্ত্রী হওয়ায় কোনও বাধা নেই। তবে রওশন এরশাদের সমস্যা আছে। কারণ উনি নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে থাকবেন। সে কারণে আমি অবশ্যই মন্ত্রী থাকবো।’
গণফোরাম নেতা ড. কামালের নেতৃত্বে যে জোট হচ্ছে সে সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘যে কেউ জোট করতে পারে। বিএনপি সে জোটে যোগ দেয়নি, যোগ দেবে বলে শুনছি। তবে তাদের জোট কতখানি শক্তিশালী হবে জানি না। বিএনপি ওই জোটে গেলে আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটে থেকে নির্বাচন করবো।’
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে এরশাদ বলেন, ‘খালেদা জিয়া অসুস্থ কিনা জানি না। সরকার ইচ্ছে করলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে পারে। এ ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই।’
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে এরশাদ বলেন, ‘নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কাছে ১০০টি আসন চেয়ে তালিকা দেওয়া হবে। অবশ্যই এর মধ্যে ৭০টি আসন আমাদের দেওয়া হবে।’
এর আগে এরশাদ সার্কিট হাউজে এসে পৌঁছালে দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। পুলিশের একটি দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় জাপার কো চেয়ারম্যান জিএম কাদের, রংপুর মহানগর জাপা সভাপতি সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসিরসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন!!!!!
রংপুরে এইচ এম এরশাদপ্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনে আসলে বা না আসলে আমাদের কিছুই যায় আসে না। দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব এখন তারেক রহমান
পালন করছে, ফলে তাদের সিদ্ধান্ত তারাই নেবে। তবে তারা যতই ঐক্য করুক কোনও লাভ হবে না। কারণ দেশের জনগণ তাদের বিশ্বাস করে না।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা থেকে রংপুরে এসে সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচনকালীন অন্তবর্তী সরকারে তিনি মন্ত্রী হিসেবে থাকবেন বলেও মন্তব্য করেন।
এরশাদ বলেন, ‘আমার মন্ত্রী হওয়ায় কোনও বাধা নেই। তবে রওশন এরশাদের সমস্যা আছে। কারণ উনি নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে থাকবেন। সে কারণে আমি অবশ্যই মন্ত্রী থাকবো।’
গণফোরাম নেতা ড. কামালের নেতৃত্বে যে জোট হচ্ছে সে সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘যে কেউ জোট করতে পারে। বিএনপি সে জোটে যোগ দেয়নি, যোগ দেবে বলে শুনছি। তবে তাদের জোট কতখানি শক্তিশালী হবে জানি না। বিএনপি ওই জোটে গেলে আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটে থেকে নির্বাচন করবো।’
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে এরশাদ বলেন, ‘খালেদা জিয়া অসুস্থ কিনা জানি না। সরকার ইচ্ছে করলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে পারে। এ ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই।’
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে এরশাদ বলেন, ‘নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কাছে ১০০টি আসন চেয়ে তালিকা দেওয়া হবে। অবশ্যই এর মধ্যে ৭০টি আসন আমাদের দেওয়া হবে।’
এর আগে এরশাদ সার্কিট হাউজে এসে পৌঁছালে দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। পুলিশের একটি দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় জাপার কো চেয়ারম্যান জিএম কাদের, রংপুর মহানগর জাপা সভাপতি সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসিরসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন!!!!!

Comments